রাজ্য সরকারি প্রকল্প ব্যবসা প্রযুক্তি টেলিকম চাকরির খবর অর্থনীতি স্কলারশিপ
Advertisements

ভুলেও ঘুমাবেন না ‘এই’ পাশ ফিরে, থাকবে না যৌবন! অকালে দেখাবে ‘বুড়ো’

Sleeping Position: ঘুম (Sleep) মানুষের জীবনের এক অপরিহার্য কাজ। এই কাজ না করলে মানুষের জীবন অচল। পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে বিভিন্ন রোগব্যাধি থেকে শুরু করে মানসিক অসুস্থতা সবকিছুই জাঁকড়ে ধরে। ঘুম…

Sleeping Position: ঘুম (Sleep) মানুষের জীবনের এক অপরিহার্য কাজ। এই কাজ না করলে মানুষের জীবন অচল। পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে বিভিন্ন রোগব্যাধি থেকে শুরু করে মানসিক অসুস্থতা সবকিছুই জাঁকড়ে ধরে। ঘুম ঠিকঠাক হলে শরীর মন উৎফুল্ল থাকার পাশাপাশি শারীরিক সুস্থতাও বজায় থাকে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ঘুম কমপক্ষে ৬-৮ ঘন্টা দীর্ঘ হওয়া উচিত। পর্যাপ্ত ঘুমের মধ্যে লুকিয়ে রয়েছে সুস্বাস্থ্যের চাবিকাঠি। ব্যক্তিবিশেষে ঘুমের ভঙ্গি ভিন্ন হতে পারে। কোনো মানুষ বাঁ পাশে ফিরে ঘুমান, তো কেউ ডান পাশে ফিরে ঘুমিয়ে থাকেন। কেউ আবার চিৎ হওয়ার ঘুমানোতেই অভ্যস্ত। প্রত্যেক ভঙ্গিই ভিন্ন ভিন্ন অর্থ বহন করে। মানুষ নিজের আরামের ভিত্তিতে ঘুমের ভঙ্গি বাছলেও সবটা মোটেই উপকারী নয়। কয়েকটি ভঙ্গি ত্বকে ব্রণ বা বয়সের ছাপ সৃষ্টি করে। চলুন জেনে নেওয়া যাক, ত্বক ভালো রাখতে কীভাবে ঘুমানো উচিত (How should We sleep?) এবং কীভাবে ঘুমানো উচিত নয়? (Which sleeping position is not good for skin?)।

Sleeping Position

ঘুমানোর মুদ্রা (Sleeping Position)

১. পাশ ফিরে ঘুমানো: এই মুদ্রায় ঘুমালে ত্বকের খুব ক্ষতি না হলেও খুব একটা উপকারও হয় না। এতে মুখ বালিশে পুরোপুরি না গুঁজলেও একপাশ চাপা পড়েই যায়। যদিও একপাশে খোলা থাকে, তবুও আরেকপাশ অক্সিজেন গ্রহণ করতে ব্যর্থ হয়। আবার কেউ নাইট ক্রিম মেখে ঘুমালে সেটাও বালিশে লেগে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যার ফলে ত্বক কুঁচকে যাওয়া ও বলিরেখা দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়।

২. উপুড় হয়ে ঘুমানো: অনেকেই আছেন যাঁরা উপুড় হয়ে ঘুমাতে ভালোবাসেন। ডার্মাটোলজিস্টদের মতে উপুড় হয়ে ঘুমালে সাধারণত বালিশে মুখ গুঁজে যায়। এর ফলে পর্যাপ্ত অক্সিজেন না পাওয়ার ফলে ব্লাড সার্কুলেশন ঠিক থাকে না। ফলস্বরূপ, ত্বকের গ্রন্থি বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং মুখে ফোলাভাব দেখা সহ একাধিক সমস্যার জন্ম হয়।

৩. চিৎ হয়ে ঘুমানো: ঘুমানোর এই ভঙ্গি সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ বলে মনে করেন ত্বক বিশেষজ্ঞরা। এই ভঙ্গিমায় ঘুমালে পিঠ ও মাথা মাটির দিকে থাকে এবং মুখমণ্ডল থাকে উপরের দিকে। যার ফলে মুখমণ্ডল পর্যাপ্ত অক্সিজেন গ্রহণের সুযোগ পায় এবং রক্ত সঞ্চালন বিনা বাধায় চলতে থাকে। এছাড়াও বালিশের ময়লা বা তেলও মুখে লাগে না এবং ত্বকে কোনো প্রকারের চুলকানির সমস্যাও দেখা যায় না।

Sleeping Position

বার্ধক্যের প্রভাব কমাতে বিশেষ টিপস (Special tips to slow ageing process)

বালিশের কভার নিয়মিত পাল্টানো উচিত। সম্ভব হলে প্রতিদিনই করা উচিত। কারণ, বালিশে নিয়মিত মাথা রাখার ফলে ঘাম, ময়লা ও তেল লেগে যায়। এর প্রভাবে বালিশে তৈরি হয় ব্যাকটেরিয়া। ত্বক এই কভারের সংস্পর্শে এলে এলার্জিজনিত সমস্যা বা অন্য কোনো ত্বকীয় সমস্যার মুখে পড়ে জেল্লা হারাতে পারে। তাই, বালিশের কভার নিয়মিত পাল্টানো দরকার।