রাজ্য সরকারি প্রকল্প ব্যবসা প্রযুক্তি টেলিকম চাকরির খবর অর্থনীতি স্কলারশিপ
Advertisements

Enforcement Directorate: ED-র বাজেয়াপ্ত কোটি কোটি টাকা কোথায় যায়? জানলে চমকে উঠবেন

Enforcement Directorate: গত কয়েকমাসে মানুষ কিছু দেখুক বা নাই দেখুক লক্ষ লক্ষ টাকার পাহাড় দেখেছে বৈকি। পাশাপাশি কেজি কেজি সোনা তো রয়েছেই। কখনও অর্পিতার ফ্ল্যাট থেকে আবার কখনও আমিরের বাড়ি…

Enforcement Directorate: গত কয়েকমাসে মানুষ কিছু দেখুক বা নাই দেখুক লক্ষ লক্ষ টাকার পাহাড় দেখেছে বৈকি। পাশাপাশি কেজি কেজি সোনা তো রয়েছেই। কখনও অর্পিতার ফ্ল্যাট থেকে আবার কখনও আমিরের বাড়ি থেকে নোট উদ্ধার করেছে ইডি। সবমিলিয়ে গত কয়েকমাসে ৬৮ কোটি টাকা উদ্ধার করে ইডি। তবে, এক্ষেত্রে অনেকের মনেই প্রশ্ন আসে যে, ইডি (Enforcement Directorate) মারফত উদ্ধার হওয়া এই কোটি কোটি টাকা আসলে কোথায় যায়?

চলুন আজকের এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে সে বিষয়েই বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক

আরও পড়ুন: রাজ্যের পার্শ্ব শিক্ষকদের জন্য সুখবর! দীর্ঘ 5 বছর মামলা চলার পর অবশেষে সুবিচার পেল শিক্ষকরা

কিভাবে ইডি কাজ করে?(Enforcement Directorate)

  1. প্রথমে বাজেয়াপ্ত সম্পত্তি ও নথির একটি সিজার লিস্ট তৈরি করে ইডি (Enforcement Directorate)। এরপর কোন নোটে কত টাকা, কতগুলি বান্ডিল, তা নথিভুক্ত হয়। পাশাপাশি এও দেখা হয় নোটে কোনও চিহ্ন ছিল কি না। এরপর ব্যাঙ্কের কারেন্ট অ্যাকাউন্ট খুলে উদ্ধার হওয়া টাকা জমা রাখা হয়। পরে কারেন্ট অ্যাকাউন্ট খুলতে আদালতের অনুমতি নিতে হয়। আর এই কারেন্ট অ্যাকাউন্ট ইডি-র এসপি (SP) পদমর্যাদা অফিসারের নামে হয়।
  2. এছাড়াও কারেন্ট অ্যাকাউন্টের টাকা বাজারে খাটাতে পারে ব্যাঙ্ক। খামবন্দি অবস্থায় টাকা পাওয়া গেলে মালখানায় রাখা হয়। এরপর কত টাকা কী অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে তা আদালতকে জানাতে হয়। বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রমাণ হিসেবে অন্যান্য নথির সঙ্গে মালখানায় রাখা হয় খামবন্দি টাকা।
  3. আদালতে প্রমাণ হিসেবে পেশ করার কোনও নথি থাকলে তা ইডি নিজের হেফাজতে রাখে। PML আইনের ধারা অনুযায়ী সম্পত্তি অ্যাটাচ করার অধিকার রয়েছে ED-র। কিন্তু, ১৮০ দিনের মধ্যে আদালতে প্রমাণ করতে হয় সেই সম্পত্তি অবৈধ। বাজেয়াপ্ত টাকা অবৈধ প্রমাণ না হলে সুদসহ ফেরত দিতে হয়। টাকা অবৈধ প্রমাণ হলে তা সরকারি কোষাগারে জমা পড়ে। তাহলে জেনে গেলেন উদ্ধার হওয়া টাকা কিভাবে কোথায় জমা পড়ে।