রাজ্য সরকারি প্রকল্প ব্যবসা প্রযুক্তি টেলিকম চাকরির খবর অর্থনীতি স্কলারশিপ
Advertisements

Government Scheme: পুজোর আগে বড় উদ্যোগ রাজ্য সরকারের, আবেদন করলেই ১০ হাজার

Government Scheme: এগিয়ে আসছে দুর্গাপুজোর দিন। অনেকেই পুজোর তোড়জোড় এখন থেকেই শুরু করে দিয়েছেন। কেনাকাটার তালিকায় কেউ রাখছেন জামাকাপড়, আবার কেউ রাখছেন অন্যান্য জিনিসপত্র। সবমিলিয়ে এখন থেকেই চলছে কেনাকাটার প্রস্তুতি।…

Government Scheme: এগিয়ে আসছে দুর্গাপুজোর দিন। অনেকেই পুজোর তোড়জোড় এখন থেকেই শুরু করে দিয়েছেন। কেনাকাটার তালিকায় কেউ রাখছেন জামাকাপড়, আবার কেউ রাখছেন অন্যান্য জিনিসপত্র। সবমিলিয়ে এখন থেকেই চলছে কেনাকাটার প্রস্তুতি। উচ্চবিত্ত মানুষদের পাশাপাশি যাতে সাধারণ মানুষও পুজোর কেনাকাটা ভালোভাবে উপভোগ করতে পারেন রাজ্য সরকারের তরফে পেশ করা হল এক বিশেষ সুযোগ। এই সুযোগের দৌলতে সাধারন মানুষও এবার কয়েক হাজার অর্থ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।

Government Scheme

সূত্রেই খবর অনুযায়ী, সাধারণ মানুষরা এবার মোটা অঙ্কের টাকা পেতে চলেছেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে। যদিও এই টাকাটা অনুদান হিসাবে নয়, লোন হিসাবে পাওয়া যাবে। মোট ৮০ হাজার টাকার মতো পাওয়া যাবে। এই টাকা লোন নেওয়ার ১ বছরের মধ্যে শোধ করতে হবে। জানিয়ে রাখি, পুরো টাকাটা একসঙ্গে পাওয়া যাবে না। একাধিক ধাপে পাবেন আবেদনকারীরা।

Government Scheme

আবেদনকারীর আবেদন মঞ্জুর হয়ে গেলে সেই ব্যক্তি একদম ১ম দফায় ১০ হাজার টাকা পাবেন। এই টাকা শোধ করে দিলে ২য় দফায় পাওয়া যাবে ২০ হাজার টাকা। এই টাকাটাও সময় মতো শোধ করে দিতে হবে। এই টাকা শোধ করা হয়ে গেলে পাওয়া যাবে ৫০ হাজার টাকা। এইভাবে প্রাপ্ত মোট টাকার পরিমাণ হবে ৮০ হাজার টাকা। এই ঋণ পেতে গেলে পৌরসভায় আবেদন করতে হবে। ব্যাঙ্কগুলোর নির্ধারিত সুদের হারের উপরে ৭% ছাড় পাওয়া যাবে।

Government Scheme

এই লোন কিন্তু সবাই পাবেন না। এই লোন নেওয়ার জন্য যোগ্য ব্যক্তি হলেন হকাররা। রাজ্যে উপস্থিত সমস্ত পুরসভার হকাররাই এই লোন নেওয়ার ব্যাপারে আবেদন করার যোগ্য। তাঁরা যাতে স্বাবলম্বী হয়ে উঠতে পারেন, সে উদ্দেশ্যেই রাজ্য সরকার লোন দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে। জানা গেছে এই বিশেষ প্ৰকৃতির লোন চালু হয়ে গেছে বাংলায়। এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে ৭৫,২৭২টি আবেদন জমা পড়ে গেছে। জমাকৃত আবেদনের ৩৫ হাজার জন লোন ইতিমধ্যে পেয়ে গেছে। এই প্রক্রিয়ায় এখনও পর্যন্ত ৪৭ হাজার জনের আবেদন মঞ্জুর করা হয়েছে। এই লোন কেন্দ্রীক দায়িত্ব পেয়েছেন প্রত্যেক পুরসভার নোডাল আধিকারিকরা।